আমার জেলা (চুয়াডাঙ্গা) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আমার জেলা (চুয়াডাঙ্গা) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১২

চুয়াডাঙ্গা জেলার উপজেলার তালিকা



উপজেলার তালিকা





















চুয়াডাঙ্গা জেলার মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা

চুয়াডাঙ্গা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস


মুক্তিযোদ্ধার তালিকা           
(বাংলাদেশ গেজেট
সোমবার আগষ্ট ২৯, ২০০৫)

বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস অধিকার আদায়ের সংগ্রাম মুখর। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জনপদ চুয়াডাঙ্গা জেলার মানুষের ও রয়েছে এই মুক্তির লড়াইয়ে শামিল হবার গৌরবময় ইতিহাস। বৃটিশ শাসনের সূচনা কাল হতেই ভারতবর্ষের অন্যান্য জায়গার মতোই তৎকালীন নদীয়া জেলার অন্তর্ভূক্ত চুয়াডাঙ্গার মানুষও অগণিত বিদ্রোহ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছে।
তিতুমীর পরিচালিত ওহাবী আন্দোলন থেকে শুরু করে ফরায়েজী আন্দোলন, নীল বিদ্রোহ, স্বদেশী ও খেলাফত আন্দোলন। পরবর্তীতে অসহযোগ ও আইন অমান্য আন্দোলন চূড়ান্ত রুপে ব্রিটিশদের উপমহাদেশ ছাড়তে বাধ্য করে। সৃষ্টি হয় ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি নতুন রাষ্ট্রের। সবটাতেই ছিল চুয়াডাঙ্গা বাসীর স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।

শনিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১২

চুয়াডাঙ্গার ভাষা ও সংস্কৃতি

অতি প্রাচীনকাল হতেই চুয়াডাঙ্গা অঞ্চল বাঙালী সংস্কৃতির সকল ঐতিহ্য লালন পালন করে আসছে। দেশের লোকসাহিত্য ও লোকসংগীতে এ জেলার একটি বিশেষ অবস্থান রয়েছে। বিশেষ করে এ জেলার সমৃদ্ধ বাউল সংগীতের খ্যতি দেশ ও দেশের বাইরে ছড়িয়ে রয়েছে। প্রখ্যাত লালন সাধক খোদা বকশ সাঁই এর জন্মস্থান এ জেলার জাঁহাপুর গ্রামে, যিনি লোকসংগীতে তাঁর বিশেষ অবদানের জন্য একুশে পদকে ভূষিত হয়েছিলেন।বাউল ছাড়াও যাত্রাগান, জারিগান, কবি গান, বিয়ে উপলক্ষে মেয়েলি গান, পুতুল নাচ, ঝাপান গান (সাপের খেলা) এ জেলার সংস্কৃতির সাথে মিশে আছে।

চুয়াডাঙ্গার খেলাধূলা ও বিনোদন

চুয়াডাঙ্গা জেলার ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাস খুবই গৌরবময়। সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই এখানে অনেক নামীদামি খেলোয়াড়ের পদচারনা ছিল। তৎকালীন সময়ে ভারতবর্ষে ফুটবলের যাদুকর খ্যাত আবদুস সামাদ একবার এখানকার একটি আঞ্চলিক ফুটবল টুর্ণামেন্টে অংশ নেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়াঙ্গন থেকেই উত্থান ঘটেছে দেশবিখ্যাত অনেক খেলোয়াড়ের। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন অজিত কুমার মন্ডল, রাফায়েল সরকার, জীবন কৃষ্ণ সাহা, কানাই লাল, বিশ্বনাথ, বলাই বাবু, বিলু আনিস প্রমুখ।

চুয়াডাঙ্গার শিল্প ও বাণিজ্য

শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা । গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠান

ব্যবসা ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিভাগ পূর্বকাল থেকেই চুয়াডাঙ্গা যথেষ্ট গুরুত্ব ছিল। কলকাতা সন্নিকটে হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের দ্রুত প্রসার ঘটে। অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে তাঁতের কাপড়, নীল, গুড়, নৌকা ও পিতলের বাসন-কোসন তৈরির জন্য চুয়াডাঙ্গা অঞ্চল বিখ্যাত ছিল। যদিও ব্রিটিশ বাণিজ্য নীতির প্রতিকূলতার ফলে এইসব শিল্পের অনেকগুলো বিশেষত বস্ত্র ব্যবসা আস্তে আস্তে ধ্বংস হতে থাকে।

চুয়াডাঙ্গার দর্শনীয় স্থান


আলমডাঙ্গা

ঘোলদাড়ী জামে মসজিদ

সংক্ষিপ্ত বিবরণ: আলমডাঙ্গা উপজেলা ঘোলদাড়ী গ্রামে মহাম্মদ ঘোরীর আমলে ১০০৬ সালে ওমর শাহ নামে এক ধর্মপ্রাণ দরবেশ একটি মসজিদ নির্মাণ করেন । মসজিদটি ঐতিহাসিক মসজিদ হিসাবে এতদাঞ্চলে পরিচিত । এই মসজিদটি দেখার জন্য দেশ-বিদেশ থেতে আজও আবিরভাব ঘটে অনেক পর্যটকের। এখনোও এই মসজিদে নিয়মিত নামাজ আদায় হয় ।

যেভাবে যেতে হবে: চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর থেকে বাস অথবা ট্রেন যোগে আলমডাঙ্গা তারপর আলমডাঙ্গা থেকে রিকসা বা ভ্যান যোগে ঘোলদাড়ী বাজার। ঘোলদাড়ী বাজার থেকে ১ কিঃ মিঃ যেয়ে ঘোলদাড়ী মসজিদ অবস্থিত।

শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১২

চুয়াডাঙ্গা জেলা



crystalfoorti

চুয়াডাঙ্গা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত ছিল। দেশ বিভাগের পূর্বে এটি পশ্চিম বঙ্গের নদিয়া জেলার অন্তর্গত ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে সর্বপ্রথম চুয়াডাঙ্গাকে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী ঘোষণা করা হয়।পরবর্তিকালে নিরাপত্তা এবং কৌশলগত কারণে চুয়াডাঙ্গা থেকে রাজধানী মুজিবনগরে সরিয়ে নেয়া হয়।
উপরে ফিরে আসুন Blogger Widgets